প্রকাশিত:
গতকাল

প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানে চলমান বিক্ষোভ পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য হস্তক্ষেপের সতর্কবার্তার প্রেক্ষাপটেই এই সিদ্ধান্ত এসেছে। তবে এক কূটনীতিক জানিয়েছেন, এটি কোনো বাধ্যতামূলক সরিয়ে নেওয়া নয়; বরং নিরাপত্তাজনিত ‘পোশ্চার পরিবর্তন’। এ বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো কারণ জানানো হয়নি বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
দোহায় অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস এ বিষয়ে এখনো কোনো মন্তব্য করেনি। এ ছাড়া আল জাজিরা কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাথেও যোগাযোগ করেছে।
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সামরিক ঘাঁটি আল-উদেইদে প্রায় ১০ হাজার সেনা অবস্থান করছেন। গত বছর ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলার আগে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটি থেকে কিছু সদস্য ও তাদের পরিবারকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। পরে জুনে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর কাতারের এই ঘাঁটিতে ইরান ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়।
এর আগে এক জ্যেষ্ঠ ইরানি কর্মকর্তা বলেছিলেন, ওয়াশিংটনের হামলার ক্ষেত্রে তেহরান আঞ্চলিক দেশগুলোকে সতর্ক করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলো লক্ষ্যবস্তু হতে পারে।
দোহার উপকণ্ঠের মরুভূমিতে অবস্থিত ২৪ হেক্টর আয়তনের আল-উদেইদ ঘাঁটিটি যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের অগ্রবর্তী সদরদপ্তর হিসেবে কাজ করে। এখান থেকেই মিশরের পশ্চিম সীমান্ত থেকে কাজাখস্তান পর্যন্ত বিস্তৃত অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান পরিচালিত হয়।